যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা বিভাগ বাতিল করতে নির্বাহী আদেশে সই করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিভাগটি বন্ধ করে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। যদিও পুরো বিভাগ বন্ধ করতে হলে কংগ্রেসের অনুমোদন লাগবে। শিক্ষার
ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন সিদ্ধান্তে মার্কিন শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় রদবদল আসতে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের শিক্ষা বিভাগ বাতিলের লক্ষ্যে নির্বাহী আদেশে সই করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিভাগটি বন্ধ করে দেয়া হবে বলে জানায় ট্রাম্প প্রশাসন। তবে কেন্দ্রীয়ভাবে শিক্ষার্থীদের জন্য ঋণ ও পেল গ্রান্টসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, ১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এই বিভাগ কয়েক দশকে তেমন কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি আনতে পারেনি। তাই বাজেট কমিয়ে শিক্ষার নিয়ন্ত্রণ রাজ্যগুলোর হাতে তুলে দেয়া হবে।
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তের সমালোচনায় সরব শিক্ষা অধিকারকর্মীরা। কলরাডো রাজ্যের শত শত শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) রাজ্য ক্যাপিটলের সামনে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ জানান। বিক্ষোভকারীরা হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে ভবনের প্রবেশপথ অবরোধ করেন। নতুন বাজেটের কারণে রাজ্যের স্কুলগুলো প্রায় ১৫ কোটি ডলার তহবিল হারাতে পারে।
তারা জানান, শিক্ষা বিভাগের কার্যক্রম সংকুচিত করা মানে সরকারি স্কুলগুলোর বরাদ্দ কমানো এবং বেসরকারি স্কুলগুলোর জন্য সুবিধা বৃদ্ধি। রিপাবলিকানরা শিক্ষা স্বাধীনতা ও স্কুল চয়েসের নামে মূলত সরকারি তহবিলকে বেসরকারি খাতে সরিয়ে নিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, এতে নিম্ন আয়ের পরিবারের শিক্ষার সুযোগ সংকুচিত হবে।
তবে, শিক্ষা বিভাগে বড় পরিবর্তনের পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছে হোয়াইট হাউস। তারা বলছে, শিক্ষা খাতে ব্যয় হয়েছে ৩ ট্রিলিয়ন ডলার, কিন্তু শিক্ষার্থীদের ফলাফলে তেমন উন্নতি আসেনি। তাই কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবর্তে রাজ্যগুলোকেই শিক্ষার দায়িত্ব নিতে হবে।
যদিও বিশ্লেষকরা বলছেন, এতে জাতীয় শিক্ষানীতির সমন্বয় বিঘ্নিত হতে পারে এবং বিভিন্ন রাজ্যে শিক্ষার মানের পার্থক্য আরও প্রকট হয়ে উঠবে।